বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বাবুগঞ্জে রাতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল নিয়ে হাজির ইউএনও বাবুগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের বাবুগঞ্জে জমিতে গরু বাঁধাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা: নারীসহ একই পরিবারের ৩ জন গুরুতর আহত আমরা প্রতিশোধ মূলক কোনো কাজ করব না-জয়নুল আবেদীন বাবুগঞ্জে রবি মৌসুমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে প্রদর্শনীর বীজ ও উপকরণ বিতরণ বরিশালে এনএসআই’র তথ্যের ভিত্তিতে দুটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান: মানহীন মিষ্টি–আইসক্রিম কারখানায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা বাকেরগঞ্জে অসহায়-হতদরিদ্র পরিবার উপহার পেল ’স্বপ্নকুঞ্জ’ বাবুগঞ্জে বেপরোয়া কিশোরগ্যাং: কলেজ ছাত্রকে মারধরের পর ফেসবুকে পোস্ট বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে বিএনপির মনোনয়নকে ঘিরে উৎসাহ—জনসমর্থনে এগিয়ে অ্যাড. জয়নুল আবেদীন বাবুগঞ্জ এলজিইডি’র এলসিএস কমিউনিটি অর্গানাইজার সানজিদার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও হয়রানির অভিযোগ
করোনা পরীক্ষার অপর্যাপ্ত ব্যবস্থা এ সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে হবে অবিলম্বে

করোনা পরীক্ষার অপর্যাপ্ত ব্যবস্থা এ সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে হবে অবিলম্বে

দেশে করোনাভাইরাস পরীক্ষার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় এ রোগ সংক্রমণের প্রকৃত সংখ্যা জানা যাচ্ছে না। বর্তমানে দেশে শুধু একটি প্রতিষ্ঠান রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটে (আইইডিসিআর) করোনাভাইরাস নির্ণয়ের ব্যবস্থা আছে। ফলে করোনা সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের অধিকাংশই পরীক্ষার বাইরে থেকে যাচ্ছেন। জানা যায়, এ পর্যন্ত আইইডিসিআরে মাত্র ৮০০ জনের মতো ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। অথচ স্বাস্থ্য অধিদফতরের সমন্বিত কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, গত ২১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত করোনাভাইরাস সংক্রান্ত সেবা পেতে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও আইইডিসিআরের নির্ধারিত ফোন নম্বরে কল এসেছে ৪ লাখ ৮৮ হাজার ৬৮৩টি। অর্থাৎ এদের একটি ক্ষুদ্র অংশেরই কেবল পরীক্ষা করানো সম্ভব হয়েছে। বাকি বিশাল অংশ রয়ে গেছে পরীক্ষার বাইরে। ফলে এমন ধারণা করা অমূলক হবে না যে, সারা দেশে আরও অনেক করোনা সংক্রমিত রোগী রয়েছেন, যাদের রোগ নির্ণয় করাই সম্ভব হয়নি। এ পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ এসব ব্যক্তির সংস্পর্শে এসে আরও অনেকে করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন। বস্তুত এভাবেই রোগটি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। তাই যারা করোনা রোগীর সংস্পর্শে আসেন, তাদের প্রত্যেককেই পরীক্ষার আওতায় আনা প্রয়োজন। কিন্তু দেশে যদি করোনাভাইরাসের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকে, তাহলে কীভাবে তা সম্ভব হবে? এ কারণে আমরা আগেই বলেছিলাম, দেশে করোনাভাইরাস নির্ণয়ের ব্যবস্থা আরও বাড়াতে হবে এবং তা জরুরিভিত্তিতে। আশার কথা, দেশে গণস্বাস্থ্যকেন্দ্র করোনাভাইরাস শনাক্তকরণে একটি কিট উদ্ভাবন করেছে। এটি তৈরির কাঁচামাল আমদানির অনুমোদনও দিয়েছে সরকার। তবে তা আসতে আরও হয়তো সপ্তাহখানেক লেগে যাবে। আসার পর সরকার সেটা যাচাই-বাছাই করবে। এরপর তা বাজারে ছাড়তে ছাড়তে হয়তো মাসখানেক লেগে যাবে। ততদিনে দেশে করোনা পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে তা কারও জানা নেই। তাই করোনা পরীক্ষার বিকল্প ব্যবস্থারও অনুসন্ধান করা উচিত বলে মনে করি আমরা। ইতিপূর্বে চীন এ ব্যাপারে বাংলাদেশকে সহায়তা করার কথা বলেছিল। চীন, রাশিয়াসহ যেসব দেশ দক্ষতার সঙ্গে করোনা মোকাবেলায় সক্ষম হচ্ছে, সরকার তাদের কাছ থেকে এ ব্যাপারে দ্রুত সহায়তা পাওয়ার চেষ্টা করতে পারে। মনে রাখতে হবে, করোনা মোকাবেলায় সবার আগে দরকার রোগটি নির্ণয়ের ব্যবস্থা। দেশজুড়ে এ ব্যবস্থা গড়ে তোলা না গেলে পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2012
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD